আজ-  ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ «» Bangladesh Caterers Association Engages MPs on Future of Britain’s Curry Industry «» মৌলভীবাজারে পবিত্র আশুরার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  «» হত্যার পর বিক্রি করা হয়েছিল রাকার দুল পুলিশের অভিযানে উদ্ধার গ্রেপ্তার স্বর্ণ ব্যবসায়ী «» মৌলভীবাজাের ১,৭১৪িট অিভযােন ৪৩২িট মাদক মামলা : ৪৯৪ জন ব্যিক্ত েগ্রফতার «» সীমান্তে ভারতের পুশইনের চেষ্টা, বিজেপির নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ «» সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫ «» শ্রীমঙ্গল সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সচেতনতামূলক সভা, বিজিবির টহল জোরদার «» সান্তাহারে প্রতিবেশী দ্বারা নিহত রাকামনির পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী সহায়তা দিলেন  আসক ফাউন্ডেশন  «» কমলগঞ্জে হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোশাররফ আলী (রহ.)-এর ৫ম ইন্তেকাল বার্ষিকী আগামীকাল পবিত্র জুমাবার। 

অল্প বৃষ্টিতেই নবীগঞ্জ শহরতলীতে রাস্তাঘাট হয়ে যায় খাল! সীমাহীন দূর্ভোগ

শাহ সুলতান আহমদঃ

অল্প বৃষ্টি হলেই হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে প্রায় ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় কোথাও গোড়ালি, আবার কোথাও হাঁটু পর্যন্ত পানি জমেছে। বৃষ্টি শেষ হওয়ার ৩ ঘন্টার পরও রাস্তায় পানি জমে ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা দুর্ভোগে পড়ছেন বেশি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান মিলবে বলে জানিয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসী জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রায় ২০ কোটির বেশী টাকা ব্যায়ে ড্রেন পূঃননির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজে আসছে না এই ড্রেন। রাস্তার চেয়ে ড্রেন অনেক উচু হওয়ায় এবং ড্রেনে পানি প্রবেশ করার রাস্তা না থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় আবার বৃষ্টির পানির সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা সড়কে উঠে আসে। মুষলধারে বৃষ্টি হলে নালার নোংরা পানি সড়কের পাশের বাসা-বাড়িতেও ঢুকে পড়ে। তখন অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষদের। নালার ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে মিশে রাস্তার বৃষ্টির পানি আবারো অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে। এই অস্বাস্থ্যকর পানির ওপর দিয়ে মানুষকে রাস্তা পার হতে হয়।

শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির কারনে ঈদের বাজারেও মানুষের সমাগম অনেকটা কম। ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শহরের প্রধান সড়কসহ ওসমানী রোড ও শেরপুর রোডের বিভিন্ন এলাকা। কোথাও আধা ফুট আবার কোথাও কোথাও একফুট থেকে দেড়ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যার ফলে বিপাকে পড়তে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের।

শুক্রবার বিকালে শহরের গাজির টেক পয়েন্টে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন পথচারী দাঁড়িয়ে আছেন। রাস্তায় পানি জমে থাকায় তাঁরা পার হতে পারছে না। তারা জানান, রাস্তায় পানি থাকায় জুতা পরে রাস্তা পার হতে পারছেন না তাঁরা। নালাগুলো যদি পরিষ্কার থাকত, তাহলে দ্রুত পানি নিষ্কাষণ হত। এতে দুর্ভোগে পড়তে হতো না তাঁদের। ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান জানান -২০ কোটি টাকারও বেশী ব্যয়ে নালা সংস্কারের কাজ করেছে পৌরসভা। কিন্তু এখন আগের চাইতে বেশি পানি জমছে সড়কে। তাহলে এত টাকা খরচের দরকার কি ছিল।’ আহমদ নামে এক পথচারী বলেন, বৃষ্টি হলেই হাফ প্যান্ট পড়ে নবীগঞ্জ শহর দিয়ে হাটা-চলা করতে হয়।

সচেতন মহলের ভাষ্য, নিয়মিত নালা পরিষ্কার করছে পৌরসভা। তবে শহরের বাসিন্দারা যত্রতত্র পলিথিনসহ বর্জ্য ফেলায় কিছুদিন পরপর নালা ভরাট হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরনে পৌরসভার পক্ষ থেকে ২০ কোটির অধিক টাকা ব্যয়ে ড্রেণ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে ড্রেনের কাজ শেষ হচ্ছে না। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এবং নবীগঞ্জবাসী জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ।
অনুলিখনঃ স’লিপক